ব্লগBlogবাজেট সম্পর্কিত সকল তথ্য বিস্তারিত | জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ 

বাজেট সম্পর্কিত সকল তথ্য বিস্তারিত | জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭ 

বাজেট সম্পর্কিত সকল তথ্য বিস্তারিত জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭

জাতীয় বাজেট একটি দেশের অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দলিল। সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাবের বাইরে এটি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির রূপরেখা তুলে ধরে। তাই জাতীয় বাজেট সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা শুধু শিক্ষার্থী বা চাকরি পরীক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং দেশের অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী প্রতিটি নাগরিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই ব্লগে আমরা বাজেটের মৌলিক ধারণা, বাজেটের ধরন, বাংলাদেশের বাজেটের ইতিহাস, সংবিধানে বাজেটের অবস্থান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ছায়া বাজেটসহ জাতীয় বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরব।

বাজেট কী 

সাধারণভাবে, বাজেট হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের একটি পূর্বনির্ধারিত হিসাব বা আর্থিক পরিকল্পনা। অর্থনীতিবিদদের ভাষায়, এটি সরকারের এমন একটি আর্থিক পরিকল্পনা যেখানে নির্দিষ্ট অর্থবছরে সরকার কী পরিমাণ রাজস্ব সংগ্রহ করবে, তা কোথায় ব্যয় করবে এবং সম্ভাব্য ঘাটতি কীভাবে পূরণ করবে তার বিস্তারিত বিবরণ থাকে। 

অন্যভাবে বলা যায়, “বাজেট হলো সরকারের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার আর্থিক প্রতিফলন।”

অর্থাৎ, বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি সরকারের অগ্রাধিকার, উন্নয়ন দর্শন এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক দিকনির্দেশনার প্রতিচ্ছবি।

বাজেটের মৌলিক ধারণা

বাজেট’ (Budget) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে ফরাসি শব্দ “Bougette” থেকে। এই শব্দটির অর্থ হলো ছোট চামড়ার থলি বা ব্যাগ (Leather Bag)। এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হলো, প্রাচীনকালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অর্থমন্ত্রী একটি চামড়ার ব্যাগে করে সরকারের আয়-ব্যয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসতেন। ধীরে ধীরে সেই ব্যাগের নাম থেকেই সরকারের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের পরিকল্পনাকে “Budget” বা বাজেট বলা শুরু হয়। 

সংবিধানে বাজেটের নাম

বাংলাদেশের সংবিধানে বাজেটকে “বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি” (Annual Financial Statement) বলা হয়েছে। সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরের জন্য রাষ্ট্রের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের বিবরণ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করতে হবে।

সাংবিধানিক নাম → Annual Financial Statement
সাধারণ নাম → Budget
উপস্থাপন করেন → অর্থমন্ত্রী
অনুমোদন দেয় → জাতীয় সংসদ

বাজেটের উদ্দেশ্য (Objectives of Budget)

বাজেট প্রণয়নের পেছনে সরকারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য থাকে। এর মধ্যে প্রধান চারটি হলো-

  • সম্পদ বণ্টন (Resource Allocation)
  • অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা (Economic Stability)
  • আয় পুনর্বণ্টন (Redistribution of Income)
  • উন্নয়ন পরিকল্পনা (Development Planning)

বাজেটের ধরন (Types of Budget)

আয় ও ব্যয়ের সম্পর্কের ভিত্তিতে বাজেট সাধারণত তিন প্রকার। এছাড়া আধুনিক প্রশাসনে বিভিন্ন ধরনের বাজেট পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

ক. উদ্বৃত্ত বাজেট (Surplus Budget)

যখন সরকারের সম্ভাব্য আয় ব্যয়ের চেয়ে বেশি হয়, তখন তাকে উদ্বৃত্ত বাজেট বলা হয়।

বৈশিষ্ট্য:

  • মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
  • অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাহিদা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
  • সাধারণত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সময়ে গ্রহণ করা হয়।

খ. সুষম বাজেট (Balanced Budget)

যখন সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয় সমান হয়, তখন তাকে সুষম বাজেট বলা হয়।

বৈশিষ্ট্য:

  • আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
  • ঋণের প্রয়োজন হয় না।
  • বাস্তবে খুব কম দেশই সম্পূর্ণ সুষম বাজেট প্রণয়ন করতে পারে।

গ. ঘাটতি বাজেট (Deficit Budget)

যখন সরকারের সম্ভাব্য ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়, তখন তাকে ঘাটতি বাজেট বলা হয়।

বৈশিষ্ট্য:

  • উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেশি দেখা যায়।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ব্যবহৃত হয়।
  • ঘাটতি পূরণে সরকার ঋণ গ্রহণ করে বা অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে।

বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা: বাংলাদেশ সাধারণত ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করে থাকে।

ঘ. কর্মসম্পাদনভিত্তিক বাজেট (Performance Budget)

যে বাজেটে শুধু অর্থ বরাদ্দ নয়, বরং কোন খাতে কত টাকা ব্যয় করে কী ফলাফল অর্জন করা হবে, তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাকে কর্মসম্পাদনভিত্তিক বাজেট বলে।

বৈশিষ্ট্য:

  • কাজের ফলাফল মূল্যায়ন করা যায়।
  • জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
  • দক্ষতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সহায়ক।

উদাহরণ:

শুধু “স্বাস্থ্য খাতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ” বলা নয়; বরং এই অর্থ ব্যয় করে কতটি হাসপাতাল নির্মাণ হবে, কতজন মানুষ চিকিৎসাসেবা পাবে-এসবও নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশের বাজেটের ইতিহাস 

বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের ইতিহাসও স্বাধীনতা-উত্তর পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। বর্তমান বাজেটকে ভালোভাবে বুঝতে হলে বাংলাদেশের বাজেটের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর  যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। এই প্রেক্ষাপটে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বাজেট প্রণয়ন করা হয়। ৩০ জুন ১৯৭২ সালে অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে দেশের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন। বাজেটের আকার ছিল প্রায় ৭৮৬ কোটি টাকা। প্রথম বাজেটের প্রধান লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। প্রথম বাজেটে কৃষি পুনর্বাসন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, শিল্প খাতের পুনরুজ্জীবন, সরকারি প্রশাসন পুনর্গঠন, বিদেশি সহায়তা ব্যবস্থাপনা সেক্টরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। 

অন্যদিকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, প্রায় পাঁচ দশকের ব্যবধানে বাংলাদেশের বাজেটের আকার বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই বৃদ্ধি বাংলাদেশের-

  • অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ,
  • উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিস্তার,
  • সরকারি সেবার সম্প্রসারণ,
  • রাজস্ব আহরণ ক্ষমতা বৃদ্ধি

-এর প্রতিফলন।

তবে বাজেটের আকার বৃদ্ধি পেলেই উন্নয়ন নিশ্চিত হয় না; বরং কার্যকর বাস্তবায়নই প্রকৃত সাফল্যের নির্ণায়ক।

বাজেট ও সংবিধান 

বাজেট শুধুমাত্র সরকারের একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। অর্থাৎ, সংবিধানে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই জাতীয় বাজেট প্রণয়ন, উপস্থাপন এবং অনুমোদন করতে হয়। তাই বাজেট সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পেতে হলে সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদগুলো সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

সংবিধানে বাজেটের অবস্থান

বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ থেকে ৯২ অনুচ্ছেদে বাজেট এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫২ অনুচ্ছেদে অর্থবছরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

বাজেট সম্পর্কিত আইন

সংবিধানের পাশাপাশি বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশে একটি বিশেষ আইন রয়েছে। সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থা আইন, ২০০৯ (Public Money and Budget Management Act, 2009)। এই আইনের মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য- 

১. বাজেট প্রণয়নের সুনির্দিষ্ট কাঠামো নির্ধারণ- বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কীভাবে বাজেট প্রস্তুত করবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা।
২. সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা বৃদ্ধি- জনগণের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা।
৩. ফলাফলভিত্তিক বাজেট ব্যবস্থাপনা উৎসাহিত করা- শুধু অর্থ ব্যয় নয়, বরং সেই ব্যয়ের মাধ্যমে কী ফলাফল অর্জিত হলো, তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
৪. আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা- অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা।

এক নজের জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ 

বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। এই বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো টেবিলের মাধ্যমে দেওয়া হলো:

বিষয় তথ্য 
বাজেটের শিরোনামগণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা
বাজেট ঘোষণা১১ জুন ২০২৬
সম্ভাব্য বাজেট পাস৩০ জুন ২০২৬
কার্যকর হওয়ার তারিখ১ জুলাই ২০২৬
কততম বাজেট৫৫তম জাতীয় বাজেট (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৬তম)
বাজেটের আকার৯,৩৮,০০০ কোটি টাকা
GDP-এর শতাংশ১৩.৭%
বাজেট ঘাটতি২,৪৩,০০০ কোটি টাকা
ঘাটতি (GDP-এর %)৩.৬%
বাজেটের ধরনঘাটতি বাজেট

বাজেটের প্রধান অর্থনৈতিক লক্ষ্য

সরকার এই বাজেটের মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের পরিকল্পনা করেছে।

  • মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কর।
  • অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত
  • বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
  • সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা।
  • অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
  • বৈষমা হ্রাস করা।

ছায়া বাজেট (Shadow Budget)  

জাতীয় বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হলো ছায়া বাজেট (Shadow Budget)। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং নীতিনির্ধারণী সংগঠন সরকারি বাজেটের বিকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করছে। এর মাধ্যমে তারা দেখানোর চেষ্টা করে যে, ক্ষমতায় থাকলে তারা কী ধরনের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করত। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিরোধী দল একটি Shadow Budget বা বিকল্প বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে, যা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে।

Shadow Budget কী?

Shadow Budget হলো সরকারের প্রস্তাবিত বাজেটের বিপরীতে বিরোধী রাজনৈতিক দল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সংগঠন কর্তৃক উপস্থাপিত বিকল্প বাজেট প্রস্তাব। অর্থাৎ, “সরকারি বাজেটের সমালোচনা ও বিকল্প অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রণীত বাজেট প্রস্তাবই হলো Shadow Budget ।”

Shadow Budget-এর উদ্দেশ্য

ছায়া বাজেট প্রণয়নের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো-

১. বিকল্প অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করা।
২. সরকারি বাজেটের শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা।
৩. জনগণের সামনে ভিন্ন নীতিগত অগ্রাধিকার তুলে ধরা।
৪. বাজেট নিয়ে গণতান্ত্রিক বিতর্ক সৃষ্টি করা।
৫. জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।

উপসংহার 

জাতীয় বাজেট কোনো সাধারণ আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়। এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক দর্শন, উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে। তবে একটি বাজেটের সাফল্য শুধুমাত্র এর আকার বা ঘোষণার ওপর নির্ভর করে না। বাজেটের প্রতিটি বরাদ্দ কতটা দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং তার সুফল জনগণের কাছে কতটা পৌঁছাচ্ছে, সেটিই হবে প্রকৃত মূল্যায়নের মাপকাঠি।

আশা করি, এই ব্লগটি বাজেট সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ ধারণা দিতে সহায়তা করবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী এবং  চাকরি পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি কার্যকর রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। এবার বিসিএস, ব্যাংক, NTRCA সহ সকল সরকারি প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে Live MCQ™ অ্যাপটি ডাউনলোড করুনবাজেট সম্পর্কিত যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। 

  • Live MCQ™

    Live MCQ™

ঘরে বসে বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ, NTRCA, ৯ম-২০তম গ্রেড সহ সকল চাকরির লাইভ এক্সামের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিতে -

১.৯ মিলিয়ন+ অ্যাপ ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আজই Live MCQ™ অ্যাপ ইনস্টল করুন!

Live MCQ™ অ্যাপটি Android, iPhone (iOS), PC/Laptop/Desktop (Windows) এবং Apple MacBook-এ পাওয়া যাচ্ছে। আপনার পছন্দের ভার্সন এখান থেকে ইনস্টল করুন।