উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি | সম্পূর্ণ গাইডলাইন
প্রিয় চাকরি প্রার্থীগণ, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা প্রস্তুতি সংক্রান্ত আলোচনায় আপনাদের স্বাগতম। আপনারা জানেন যে সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ২ হাজার ৩৬০ টি শূন্য পদে নিয়োগ প্রদানের জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিজ্ঞপ্তি টি প্রকাশের পর থেকে আমাদের কাছে এই পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চেয়ে অসংখ্য প্রশ্ন আসে যার প্রেক্ষিতে আমরা এই ব্লগ টি প্রকাশ করছি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদটির আরও বিভিন্ন নাম রয়েছে। যার মধ্যে উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তা, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা, এবং উপসহকারী প্রশিক্ষক অন্যতম। পূর্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীনে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও ২০২০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর অধীনে এই পদের নিয়োগ পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবং এইবার দ্বিতীয় বারের মতো এই পরীক্ষাটি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন পিএসসি এর অধীনে অনুষ্ঠিত হবে।
তাই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ প্রত্যাশীদের খুব ভালোভাবে গোছানো একটি প্রস্তুতি নিতে হবে। একটু কৌশলী এবং গোছানো প্রস্তুতি নিলে এই পদের প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সহজেই উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব। আজকের এই আর্টিক্যাল টি পড়ার পর উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে একটি রোডম্যাপ পেয়ে যাবেন। তাই সম্পূর্ণ আর্টিক্যাল টি গুরুত্বসহকারে পড়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হল।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দ্বায়িত্ব ও কাজ:
সরকারের কৃষি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের উদ্যোগ কে মাঠপর্যায়ে থেকে বাস্তবায়ন করাই একজন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজ। নিম্নে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার দ্বায়িত্ব ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হল –
- কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের বিভিন্ন পরিকল্পনা সরাসরি কৃষক পর্যায়ে সরাসরি কৃষক পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতা করা।
- মাঠপর্যায়ে সার্বক্ষণিকভাবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করা এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করা, সমাধানে সহযোগিতা করা এবং প্রয়োজনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করা।
- সকল শ্রেণির কৃষককে কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রধান করার পাশাপাশি কৃষকদের মাঠ ফসল ও উদ্যানত্বত্তিক ফসলের সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করা।
- কৃষকদের তথ্য ও চাহিদার ভিত্তিতে মৌসুমভিত্তিক উৎপাদন কর্মকান্ড পরিচালনায় সহযোগিতা করা। প্রয়োজনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা জন্য প্রদর্শনী, উদ্ভুদ্ধকরণ প্রশিক্ষণ ও সভা, দলীয় আলোচনা, অংশীদারিত্বমূলক ছোট আকৃতির পরীক্ষামূলক পট স্থাপন এবং মাঠ দিবস পরিচালনা ইত্যাদি কর্মসূচি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা।
- বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ যেমন – বন্যা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদি সংগঠিত হলে তথ্য প্রাপ্তির ভিত্তিতে বিভিন্ন জরিপ কার্য সম্পাদন করা।
- দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লকের বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করে এসএএও ডায়রিতে সংরক্ষণ করা। যেমন: প্রাকৃতিক সম্পদ, আবাদি জমির পরিমাণ, জনসংখ্যা, প্রচলিত শস্য বিন্যাস, বিভিন্ন উপকরণ চাহিদা, ঋণ প্রাপ্তির সুবিধা-অসুবিধা, উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ পদ্ধতি, কৃষি প্রযুক্তি ব্যাবহারকারী কৃষকের সংখ্যা ও তাদের সফলতার চিত্র ইত্যাদি।
- বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক সংস্থার সহযোগিতা ও তথ্যাদি পেতে কৃষকদের সহযোগিতার মাধ্যমে সমন্বিত খামার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।
- খাদ্য শস্য ও ফলমূল সহ বিভিন উৎপাদিত ফসলের নমুনা সংগ্রহ করে মোট উৎপাদন নির্নয় করে উপজেলায় প্রেরণ করা।
- ব্লকের বীজ, সার, বিদ্যুৎ, ডিজেল সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণের দৈনন্দিন পরিস্থিতি উপজেলা কৃষি অফিসার, সার পরিদর্শক, কীটনাশক পরিদর্শককে অবহিত রাখা।
- ইউনিয়ন কৃষি কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে বিভিন্ন সভা আয়োজন করা এবং কার্য বিবরণী উপজেলা কৃষি কমিটির সভাপতির কাছে প্রেরণ করা।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ যোগ্যতা:
সরকারি বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য বেশ কিছু যোগ্যতার মাপকাঠি রয়েছে। যার মধ্যে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, এবং নাগরিকত্ব অন্যতম। নিম্নে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের নিয়োগ যোগ্যতা আলোচনা করা হল –
যেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা ইন্সটিটিউট থেকে কৃষি বিজ্ঞানে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমাধারী অনধিক ৩০ বছর বয়সী প্রার্থীরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের জন্য এই বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষাটি মূলত ৩ টি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, দ্বিতীয় ধাপে প্রিলিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবং লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তৃতীয় ধাপে ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি শুদ্ধ উত্তরের জন্য ১ নম্বর বরাদ্দ এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা হয়ে থাকে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় বসতে হবে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস ও মান বন্টন:
ইতোমধ্যে আপনারা জেনে গেছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সর্বমোট ১০০ নম্বরের এমসিকিউ প্রশ্ন আসে। যার মধ্যে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞাণ, কৃষি এই ৪ টি বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। এখানে গণিত থেকে কোন প্রশ্ন আসে না।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মানবন্টন
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সম্ভাব্য সাজেশন:
উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাজেশন: (বাংলা)
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা বিষয় থেকে বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা সাহিত্য অংশ থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। নিম্নে এই পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য বাংলা ব্যাকরণ ও বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপুর্ণ টপিক গুলো নিয়ে সাজেশন দেওয়া হল-
বাংলা ব্যাকরণ
বাংলা সাহিত্য
বাংলা রেফারেন্স বই সমূহ:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের বাংলা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য নিম্নের বুক লিস্ট টি অনুসরণ করতে পারেন।
- বাংলা ব্যাকরণ ৯ম-১০ম শ্রেনীর বোর্ড বই (নতুন সংস্করণ);
- হুমায়ূন আজাদের লাল নীল দীপাবলি;
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌমিত্র শেখর।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাজেশন: (ইংরেজি)
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনার পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ের ২ টি অংশ (ইংরেজি ভাষা, ইংরেজি সাহিত্য) থেকে প্রশ্ন এসে থাকে। নিম্নে এই পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য ইংরেজি ভাষা ও ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ক গুরুত্বপুর্ণ টপিক গুলো নিয়ে সাজেশন দেওয়া হল-
ইংরেজি ভাষা
ইংরেজি সাহিত্য
- Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to the 21st Century.
- Quotations from drama/poetry of different ages.
ইংরেজি রেফারেন্স বই সমূহ:
- High School English Grammar and Composition by Wren and Martin,
- Advanced Learner’s Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain,
- A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hossain,
- Applied English Grammar and Composition by P. C. Das,
- Live MCQ English Wizard Grammar – Saleh Ahmed
Live MCQ English Wizard Grammar Book – Sample PDF
প্রস্তুতি…
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাজেশন: (সাধারণ জ্ঞাণ)
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ও সাধারণ বিজ্ঞান অংশ থেকে সর্বমোট ২০ নম্বরের প্রশ্ন আসে। উক্ত পদের পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপুর্ণ সাধারণ জ্ঞানের টপিকগুলো নিম্নে দেওয়া হল:
সাধারণ জ্ঞান রেফাররেন্স বই ও ওয়েবসাইট:
- ৬ষ্ঠ – ১০ম শেণি পর্যন্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়),
- বাংলাপিডিয়া,
- সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট, দৈনিক পত্রিকা এবং যেকোনো গাইডবই।
- ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। (আন্তর্জাতিক অংশের জন্য)
[গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাজেশন: (বিষয়ভিত্তিক কৃষি)
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বিষিয়ভিত্তিক (কৃষি) অংশ থেকে সর্বমোট ৪০ নম্বরের প্রশ্ন আসে। কৃষির বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ন টপিকগুলো নিয়ে কৃষি বিষয়ভিত্তিক সাজেশন নিম্নে দেওয়া হল:
কৃষি (টেকনিক্যাল) অংশের রেফাররেন্স বই:
- কৃষি ডিপ্লোমা বোর্ড বই
- কৃষি শিক্ষা শিক্ষণ -২, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কৃষি শিক্ষা ১ম ও ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- নবম-দশম-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।
- ৭ম এবং ৮ম শ্রেণির NCTB প্রাসঙ্গিক বোর্ড বই।
- কৃষি ডায়েরি-২০২৩/২৪
- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন:
একটু কৌশল অবলম্বন করে গুছিয়ে প্রস্তুতি নিতে পারলে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করা সম্ভব। বিশেষ যারা গনিতে দুর্বল তাদের জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদটি একটি আশীর্বাদস্বরূপ কারন এই পদের পরীক্ষায় গণিত থেকে কোন প্রশ্ন আসে না। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে আপনাকে অবশ্যই নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে –
- প্রথমেই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাজেশন টি আত্মস্থ করুন।
- কোন বিষয় থেকে কতটুক পড়বেন এবং কতটুকু বাদ দিবেন এই সম্পর্কে জানুন।
- আপনার বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা ও দুর্বলতার উপর ভিত্তি করে একটি স্মার্ট স্টাডি প্ল্যান প্রস্তুত করুন।
- ইংরেজি অংশে বিশেষ প্রস্তুতি নিশ্চিত করুন।
- বিগত সালগুলোতে অনুষ্ঠিত হওয়া উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান গুলো অনুসরণ করুন।
- প্রয়োজনীয় বইগুলো নিয়ে একটি বুক লিস্ট তৈরি করুন এবং সেগুলো অনুসরণ করুন।
- ১০তম থেকে ৪৬তম বিসিএস প্রশ্ন সমাধান গুলো অনুসরণ করুন।
- পড়ার পাশাপাশি নিজের প্রস্তুতিকে যাচাই করার জন্য বেশি বেশি প্রিলিমিনারি মডেল টেস্ট ও মক টেস্ট পরীক্ষা দিন।
- একটি স্মার্ট রিভিশন সার্কেল অনুসরণ করুন যেখানে একবার পড়া শেষ করার পরে পূর্বের পঠিত বিষয়গুলো এই সার্কেলের মাধ্যমে পুনরায় রিভিশন করা যায়।
- একই লক্ষ্যে অবিচল সমমনা ও পরিশ্রমী প্রার্থীদের সাথে স্টাডি গ্রুপ গঠন করে পরস্পরের সহযোগিতার মাধ্যমে সমন্বিত প্রস্তুতি নিন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের ১০০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। যেখানে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞাণ এবং প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল / প্রফেশনাল বিষয়ের উপর প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। নিম্নে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন দেওয়া হল:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন:
উল্লেখ্য যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষায় পাসের জন্য সামগ্রিকভাবে ৪৫ শতাংশ নম্বর এবং বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিটি বিষয়ের জন্য পৃথক পৃথকভাবে ২৫ শতাংশ নম্বর এবং কৃষি বিষয়ে ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (বাংলা):
অধ্যয়নের উৎস:
- ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
সর্বশেষ সংস্করণের যেকোনো ভালোমানের গাইড বই ইত্যাদি।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (ইংরেজি):
অধ্যয়নের উৎস:
- Live MCQTM Vocabulary Booster (520 High-Frequency Words) PDF, Live MCQTM Idioms PDF.
- Applied English Grammar and Composition, P. C. Das.
- A Passage to the English Language, S M Zakir Hossain.
- Advanced Learner’s, HSC, Chowdhury & Hossain.
- Oxford Dictionary, Cambridge Dictionary & Merriam-Webster Dictionary.
সর্বশেষ সংস্করণের যেকোনো ভালোমানের গাইড বই।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (সাধারণ জ্ঞাণ):
অধ্যয়নের উৎস:
- ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ মূলবই।
- ৯ম-১০ম শ্রেণির ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা’ মূলবই।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বশেষ সংশোধনী সম্বলিত মূল সংবিধান।
- হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’।
- মুনতাসির মামুনের লেখা ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা।
- প্রথিতযশা জাতীয় দৈনিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সাম্প্রতিক কলামসমূহ।
- সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সরকারি ওয়েবসাইট।
- বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যকোষ।
- সর্বশেষ সংস্করণের কোনো নির্ভরযোগ্য গাইডবই।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (বাংলাদেশ বিষয়াবলী):
সাধারণ জ্ঞানের বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে প্রচুর লিখতে হয়। তাই বাসায় সবসময় দ্রুত হাতের লেখার অভ্যাস করতে হবে। আবার দ্রুত লিখতে গিয়ে হাতের লেখা যাতে অস্পষ্ট এবং দুর্বোধ্য না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মানচিত্র, চার্ট, সারণি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি সহকারে উত্তর করার চেষ্টা করবেন। এই বিষয়গুলো উত্তরপত্রের সৌন্দর্যের পাশাপাশি প্রেজেন্টেশনও ভালো করে। উক্তি, পয়েন্ট, রেফারেন্স বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নীল কালিতে লিখার চেষ্টা করবেন। এতে পরীক্ষকের চোখ এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এড়াবে না।
বাংলাদেশ বিষয়াবলির গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ইতিহাস (পটভূমি, ঘটনাক্রম); মূলনীতিসমূহ, সংবিধানের প্রস্তাবনা (উদ্দেশ্য, গুরুত্ব ও তাৎপর্য); সাংবিধানিক সংস্থাসমূহ ও পদসমূহ; সরকারি ও বেসরকারি বিল, অর্থবিল, বাজেট; মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রধর্ম, সংবিধানের প্রাধান্য, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ, ধর্মনিরপেক্ষতা, জরুরি অবস্থা, নারীর অধিকার, নাগরিক অধিকারে সমতা, ন্যায়পাল, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহ); রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি,মৌলিক অধিকার ইত্যাদি সংক্রান্ত অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ সমূহ, সংবিধানের সংশোধনী সমূহ ও সংবিধানের তফসিলসমূহ; সংবিধানের অভিভাবক, ব্যাখ্যাকারক, সংশোধন সংক্রান্ত বিধান ও নিয়ম, ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ; সরকারের গুরুত্বপুর্ণ বিভাগসমূহ যেমন – আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগ প্রভৃতি।
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা অংশে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূ-প্রকৃতি (কৌশলগত অবস্থান, গুরুত্ব, সুবিধা); বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান যেমন – ভূমিরূপ, নদ-নদী, বনাঞ্চল ইত্যাদি; ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (কাঠামো, অর্থায়ন ও চ্যালেঞ্জ); সমুদ্র অর্থনীতি, সমুদ্র বিজয় (সরকারের পদক্ষেপ, বাস্তবায়নে করণীয়); বঙ্গবন্ধু দ্বীপ, ভাসানচর, প্রবাল দ্বীপ, সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড, বিগ-বি, গভীর সমুদ্রবন্দর প্রভৃতি পড়বেন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসমূহের বৈচিত্র্য (পারিবারিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক); মানব সম্পদ উন্নয়নে করণীয়; ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড, এর সমস্যা ও সম্ভাবনাসমূহ; বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং প্রাসঙ্গিকতা; জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২; পরিবার পরিকল্পনা (পরিচিতি, প্রয়োজনীয়তা, সরকারের পদক্ষেপ ও বাস্তবায়নে করণীয়) প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট (১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত ঘটনাবলি); মুক্তিযুদ্ধে বিশ্ব শক্তির ভূমিকা (ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র); ৭ মার্চের ভাষণ ও এর বর্ণনা, গুরুত্ব; মুজিবনগর সরকার গঠন, নেতৃত্ব; মুক্তিযুদ্ধ ও প্রভাব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বরূপ ও বর্তমান প্রয়োজনীতা; স্বাধীনতার ঘোষণা, গণহত্যা, অপারেশ জ্যাকপট, অপারেশন সার্চলাইট, রায়েরবাজার বধ্যভূমি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ, কনসার্ট ফর বাংলাদেশ, মুক্তিবাহিনী, মুজিব বাহিনী, বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরপ্রতীক, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, উল্লেখযোগ্য অপারেশন ইত্যাদি।
- বাংলাদেশের পরিবেশ (বৈশিষ্ট্য, দূষণের কারণ, প্রভাব, প্রতিকার ও প্রতিরোধ); জলবায়ু পরিবর্তন (বাংলাদেশের উপর এর প্রভাব ও প্রতিকারের উপায়); প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ (কারণ, প্রতিকার ও প্রশমনে করণীয়); সুন্দরবনের পরিবেশ, নদীদূষণ (কারণ, প্রভাব ও প্রতিকারের উপায়); বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি, তিস্তার পানি বণ্টন, ফারাক্কা বাঁধ, ই-বর্জ্য, যৌথ নদী কমিশন, সবুজ অর্থনীতি, SPARSO ইত্যাদি।
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ (বিবরণ, ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা ও করণীয়); বাংলাদেশের বনজ ও খনিজ সম্পদ (বিবরণ, সমস্যা-সম্ভাবনা, রক্ষার গুরুত্ব ও করণীয়); সামুদ্রিক সম্পদ (সম্ভাবনা ও আহরণে করণীয়), কৃষিজ ও মৎস সম্পদ; নবায়নযোগ্য ও অনবায়নযোগ্য সম্পদ; বিভিন্ন প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ; বিশ্ব ঐতিহ্যে স্বীকৃত বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদসমূহ; পেট্রোবাংলা; বাপেক্স প্রভৃতি।
- ভিশন ২০৪১ (সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও বাস্তবায়নে করণীয়); আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, মেগাপ্রকল্পসমূহ (আর্থ-সামাজিক প্রভাব), EPZ, BIDA, BEZA, পিপিপি; দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-৪১, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ, ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, শিল্পনীতি-২০১৬; দারিদ্র বিমোচন, গ্রামীণ উন্নয়ন, সমাজ কল্যাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা; বাংলাদেশের উন্নয়নে শিক্ষা, সমাজ ও অর্থনীতি; খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ; মুদ্রানীতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ, GDP, GNI, GNP, NNP, PCI; আমার বাড়ি আমার খামার; আশ্রয়ন প্রকল্প, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য; অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জসমূহ (জ্বালানী সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কোভিড-১৯ অতিমারি); দারিদ্র্য বিমোচন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা; রপ্তানি আয় (তৈরি পোশাক শিল্প, মৎস্য খাত, পর্যটন শিল্প, পাট ও অন্যান্য উদীয়মান শিল্পের ভূমিকা); অর্থনীতির বিভিন্ন খাত (কৃষি, শিল্প ও সেবাসহ অন্যান্য উপখাত) ও তাঁদের অবদান; ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়; রপ্তানি ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি, পর্যটন শিল্প, চামড়া শিল্প, মৎস খাত, পাট শিল্প, জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প, বাজেট, SDG, MDG (প্রেক্ষাপট, বাংলাদেশের সাফল্য ও করণীয়) প্রভৃতি।
অধ্যয়নের উৎস:
- ৭ম থেকে ৯ম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ মূলবই।
- ৯ম-১০ম শ্রেণির ‘বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা’ মূলবই।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বশেষ সংশোধনী সম্বলিত মূল সংবিধান।
- হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’।
- মুনতাসির মামুনের লেখা ‘স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা।
- প্রথিতযশা জাতীয় দৈনিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সাম্প্রতিক কলামসমূহ।
- সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সরকারি ওয়েবসাইট।
- বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যকোষ।
- সর্বশেষ সংস্করণের কোনো নির্ভরযোগ্য গাইডবই।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী):
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির উত্তরে তথ্য উপস্থাপনার ক্ষেত্রে ছক, বক্স, গ্রাফ, চার্ট ইত্যাদি ব্যবহার বৃদ্ধি করলে উত্তরপত্র প্রশংসার সাথে মূল্যায়িত হবে। মানচিত্রের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক অঞ্চল চিহ্নিত করতে পারলে ভালো হয়। সরকারি নীতিসমূহ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কৌশলী হতে হবে, কোনোভাবেই যেনো কোনো পয়েন্ট/শিরোনামে সরকারের সমালোচনা না থাকে, থাকলেও তা যেন গঠনমূলক সমালোচনা হয়।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক (সংজ্ঞা, প্রকৃতি, পরিধি, বিষয়বস্তু, গুরুত্ব); আন্তর্জাতিক রাজনীতি (পরিধি, বিষয়বস্তু, পাঠের প্রয়োজনীয়তা, নিয়ন্ত্রক উপাদানসমূহ); আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির মধ্যে পার্থক্য; আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্ব; আন্তর্জাতিক সম্পর্কে বাস্তববাদ, আচরণবাদ, বহুত্ববাদ ও উদারনীতিবাদ; স্নায়ুযুদ্ধ (পরিচিতি, উৎপত্তির স্বরূপ, কারণসমূহ ও পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি); Clash of Civilization, UDHR, CEDAW, Shadow Pandemic, ম্যাগনা কার্টা, ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি প্রভৃতি।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ; ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব; বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের সমস্যা ও সম্ভাবনা; বিদেশের বাজারে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণ (প্রয়োজনীয়তা, ভূমিকা ও কৌশল); আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ, অর্জন ও সম্ভাবনা; বাংলাদেশ-চীন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক; স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ; বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ প্রভৃতি।
- জাতিসংঘ (গঠনের পটভূমি, কার্যাবলি, সাফল্য ও ব্যর্থতা, মহাসচিবের ক্ষমতা ও কার্যাবলি); জাতিসংঘের সনদ অনুসারে নিরাপত্তা পরিষদের গঠন ও মূল দায়িত্ব; জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের সাফল্য ও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ; আন্তর্জাতিক আদালত (গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি); পরিবেশগত এজেন্ডা, মানবাধিকার এজেন্ডা; শরণার্থী সংকট মোকাবেলায়, নারীর ক্ষমতায়নে ও আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসায় জাতিসংঘের ভূমিকা।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (উৎপত্তি, বিকাশ, কার্যক্রম, নীতিমালা ও ভূমিকা); ব্রিকস, আইডিবি, AIIB, NDB; জি-৭, জি-২০, জি-৭৭ (উৎপত্তি, বিকাশ, কার্যক্রম); কিয়োটা প্রটোকল চুক্তি, জলবায়ু পরিবর্তনে কপ (COP) এর পদক্ষেপ প্রভৃতি।
- সার্ক (অবদান, সাফল্য-ব্যর্থতা, সনদ পরিবর্তনে পরামর্শ ও বর্তমান অবস্থা); ন্যাম (গঠন, কার্যক্রম, অবদান ও কার্যকর করার জন্য পরামর্শ); ইউরোপীয় ইউনিয়ন (বিকাশ ও সম্প্রসারণ); ও.আই.সি (গঠন, কার্যাবলি, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা); ওপেক (গঠন, পটভূমি, উদ্দেশ্য, অবদান ও সম্ভাবনা); ASEAN, BIMSTEC, EU, ASEAN, APEC, AU, GCC, Common Wealth, RCEP (গঠন, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম, সাফল্য-ব্যর্থতা); NATO (উদ্দেশ্য ও কার্যপ্রণালি); দক্ষিণ এশীয় বাণিজ্য চুক্তি: SAPTA, SAFTA; AFTA ও অন্যান্য আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সহযোগীতা চুক্তি প্রভৃতি।
- বিশ্বায়ন, বিশ্বের প্রধান ইস্যু ও দ্বন্দ্বসমূহ; বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্থানসমূহ প্রভৃতি।
অধ্যয়নের উৎস:
- জাতীয় দৈনিক পত্রিকার আন্তর্জাতিক সংবাদ, প্রাসঙ্গিক কলাম ও সম্পাদকীয়।
- নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতি- তারেক শামসুর রেহমান।
- বিশ্ব রাজনীতির ১০০ বছর- তারেক শামসুর রেহমান।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি- শাহ মুহাম্মদ আব্দুল হাই।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মূলনীতি- মোঃ আবদুল হালিম।
- আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স পর্যায়ের পাঠ্য।
- বেবি মওদুদের রচনায় ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে শেখ হাসিনা’ গ্রন্থ।
- অধ্যাপক মুহাম্মাদ নূরুল ইসলামের ‘বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক’ বই।
- মোস্তফা কামালের লেখা ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বাংলাদেশ’।
- সর্বশেষ সংস্করণের কোনো নির্ভরযোগ্য গাইডবই।
- ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া – ইত্যাদি থেকে টপিক সার্চ করে বিস্তারিত পড়ে নিবেন।
- সংশ্লিষ্ট সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি):
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনেকের জন্য ভয়ের কারণ। তবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিল এখানে সর্বোচ্চ নম্বর তোলা সম্ভব। কারণ নন-ক্যাডারে অংশে খুব বেশি ডিপ থেকে আসার সম্ভাবনা নেই। ৯ম-১০ম শ্রেণিতে সাধারণ বিজ্ঞান বই থেকে হুবুহু প্রশ্ন আসতে দেখা যায়। বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডের পরীক্ষার্থীরা মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বইগুলো পড়তে পারেন। অন্যরা শুধু টপিক ধরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পড়বেন।
বিজ্ঞান বিষয়ে বেশি নম্বর পেতে হলে সংক্ষেপে প্রাসঙ্গিক ও চিত্রসহ (যদি প্রয়োজন হয়) বিষয়বস্তু বর্ণনা করতে পারলে বেশি নম্বর পাওয়া যাবে। চিত্র আকা ও সমীকরণ লিখার জন্য পেন্সিল ব্যবহার করা উচিত। তবে সমীকরণ অন্য রংয়ের কলম দিয়েও লেখা যেতে পারে। কোনভাবেই লাল রংয়ের কালির কলম ব্যবহার করা যাবে না।
বিজ্ঞানের গুরত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
- আলোর প্রকৃতি, বর্ণালি; বিভিন্ন রং ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্য; অতিবেগুনি রশ্মি, অবলোহিত রশ্মি ও লেজার; আলোর প্রতিফলন, আলোর প্রতিসরণ, আলোর বিচ্চুরণ; লেন্স, আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন; আলোর কণাতত্ত্ব, আইনস্টাইনের ফটোতড়িৎ সমীকরণ, আলোক কোষ প্রভৃতি।
- চুম্বক ও চুম্বকত্ব; চৌম্বক ও অচৌম্বক পদার্থ; চৌম্বকের পোলারিটি এবং বিদ্যুতের সাথে সম্পর্ক; চৌম্বক বলরেখা; দন্ড চুম্বক হিসেবে পৃথিবীর চুম্বকক্ষেত্র; তড়িৎ চুম্বক; ট্যানজেন্ট গ্যালভানোমিটার; কম্পন ম্যাগনেটোমিটার; ডায়া, প্যারা, ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ; তড়িৎ চুম্বক ও স্থায়ী চুম্বক প্রভৃতি।
- মাটি, মাটির প্রকারভেদ, মাটির গঠন, মাটির বৈশিষ্ট্য, মাটির pH; মাটি ক্ষার ও অম্ল হওয়ার কারন, বাফারিং; মাটি দূষণের কারণ, প্রভাব, প্রতিরোধ; প্রাকৃতিক গ্যাস ও এর প্রধান উপাদান; প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম ও কয়লার উৎস, প্রক্রিয়াকরণ ও ব্যবহার; বনপালনবিদ্যা, আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা ও সংরক্ষণ; দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান, বিভিন্ন ধরনের দূষণ প্রভৃতি।
- খাদ্যের বিভিন্ন উপাদান; প্রোটিন; স্নেহ ও লিপিড; শর্করা; ভিটামিন; শর্করা ও প্রোটিনের প্রকারভেদ ও উৎস; রাফেজ; পুষ্টি মান; সুষম খাদ্য উপাদান তালিকা; সুষম খাদ্যের পিরামিড; বডি মাস ইনডেক্স (BMI), জাঙ্ক ফুড; খাদ্য সংরক্ষণ, খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি; খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানের ব্যবহার ও এর শারীরিক প্রতিক্রিয়া প্রভৃতি।
- রোগ সংক্রমণ, কারণ ও প্রতিকার; এন্টিবায়োটিক; স্ট্রোক; হৃদরোগ; উচ্চ রক্তচাপ; ডায়াবেটিস; ডেঙ্গু; কোভিড-১৯; এইডস; ক্যান্সার; ডায়রিয়া; মাদকাসক্তি; ভ্যাকসিনেশন; ফুড পয়েজনিং; কেমোথেরাপি; রেডিওথেরাপি; সিটিস্ক্যান; এম.আর. আই প্রভৃতি।
কম্পিউটার ও প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
- কম্পিউটার সংগঠন ও কার্যাবলি, কম্পিউটারের ইতিহাস, কম্পিউটারের প্রজন্ম; সিপিইউ ও তার অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড; কম্পিউটার মেমরি, ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস, বায়োস, বাস আর্কিটেকচার; অনুবাদক প্রোগ্রাম; প্রোগ্রামিং ভাষা; সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, অফিস অটোমেশন; কম্পিউটার ভাইরাস, দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের প্রভাব প্রভৃতি।
- ডাটা ও ডাটা কমিউনিকেশন, তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও বন্টন; ডাটাবেজ সফটওয়্যার ও কাঠামো, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম; মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার; LAN, MAN, WAN, GPS, টপোলজি, নেটওয়ার্কিং ডিভাইস (রাউটার, সুইচ, হাব প্রভৃতি); প্রোটোকল, ইন্ট্রানেট, এক্সট্রানেট, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার; WWW, ওয়েব প্রযুক্তি, জনপ্রিয় ওয়েবসাইটসমূহ; ক্লাউড কম্পিউটিং, ইমেইল, ডাটাবেজ, সাইবার নিরাপত্তা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম; ট্রান্সমিশন মিডিয়া, ব্যান্ডউইথ, অপটিক্যাল ফাইবার, ওয়াইফাই; টেলিকমিউনিকেশন, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ভিস্যাট; ই-কমার্স সহ সাম্প্রতিক আলোচিত তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ প্রভৃতি।
অধ্যয়নের উৎস:
- ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই।
- ২০১৯ সংস্করণের ৯ম-১০ম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (অবশ্যই পড়তে হবে) ।
- ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও জীববিজ্ঞান বই।
- ৮ম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বই।
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- সর্বশেষ সংস্করণের ভালোমানের নির্ভরযোগ্য যেকোনো গাইডবই।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস (কৃষি):
পিএসসি কর্তৃক টেকনিক্যাল অংশের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস দেওয়া হয় নি। বিগত বছরের প্রশ্নের আলোকে আমাদের সাজেশন তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু এ অংশে মার্কস বেশি তাই এ অংশে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
১. বাংলাদেশের কৃষি পরিচিতি ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান:
- বাংলাদেশে কৃষিশিক্ষার ক্রমবিকাশ, গুরুত্ব, ইতিহাস, প্রয়োজনীয়তা, পদক্ষেপ, কৃষির সমস্যা, সমাধানের উপায় এবং গুরুত্ব, কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, গুরুত্ব, মৌসুমী জলবায়ুর গুরুত্ব ইত্যাদি।
- মাটির ভৌত বৈশিষ্ট্য মাটির কণা, মাটির গঠন, pH, মাটির অম্লত্ব, ক্ষারত্ব, লবণাক্ততা, মাটির উর্বরতা, মাটি ক্ষয়, অনুজীব সার, নাইট্রোজেন সংবদ্ধকরণ, মাটির জন্য ক্ষতিকর কীটনাশক, ইত্যাদি।
২. মাঠ ফসল এবং ফুল ও ফল ও মসলা জাতীয় ফসল চাষাবাদ:
- ধান, পাট, গম, মসুর, আখ, সরিষা এবং তুলা, আলু, টমেটো, মটর ও মটরশুটির উৎপাদনের বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং বৈজ্ঞানিক নাম ইত্যাদি।
- ফুল চাষ-গোলাপ, গাঁদা, রজনীগন্ধা, বেলি ইত্যাদি ফুল বিবেচনা করে জমি তৈরি, জাত নির্বাচন, সার প্রয়োগ, বীজের হার, বিভিন্ন প্রকার মসলার চাষ পদ্ধতি, মাটি নির্বাচন ও সীমাবদ্ধতা ইত্যাদি।
৩. সবজি চাষাবাদ এবং ফসলের রোগ-পোকামাকড় ও বালাই ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির শাক-সবজির প্রকারভেদ, ক্রপিং প্যাটার্ণ, ক্ষতিকর রোগ, প্রতিকার ও ব্যবস্থাপনা।
- উদ্ভিদ ও বিভিন্ন ফসলের বিভিন্ন রোগের নাম, অনিষ্টকারী পোকার নাম, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।
৪. উদ্যান নার্সারি ব্যবস্থাপনা এবং উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা:
- নার্সারি, বৃক্ষরোপন, পানি নিস্কাশন, বীজ শোধন, বীজ বপন, চারা উৎপাদন, আদর্শ বীজতলা, ছাঁটাইকরণ।
- উদ্ভিদের পুষ্টিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের কাজ, উৎস, অভাবজনিত লক্ষণ, প্রতিকার, আয়ন শোষন পদ্ধতি, উদ্ভিদের মুখ্য ও গৌণ পুষ্টি উপাদান, জৈব ও অজৈব সার, বিভিন্ন সারের কাজ, অভাবজনিত লক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলাফল, ক্ষতিকর সার ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।
৫. গৃহপালিত পশুপাখি পালন ও মাছ চাষ এবং ফসলের জাতের নাম:
- পশুপাখি ও মাছের বিভিন্ন দেশীয় ও উন্নত জাত, রোগ ও প্রতিরোধ, প্রতিপালন ও উন্নয়ন, বাজারজাতকরণ, সমন্বিত মাছ চাষ।
- বিভিন দেশীয় এবং বিদেশী ফসলের জাতের নাম, বৈজ্ঞানিক নাম, উৎস, বিপণন, রোগ, প্রতিকার এবং বাজারজাতকরণ ইত্যাদি।
৬. কৃষি অর্থনীতি ও কৃষি ও পরিবেশবিজ্ঞান:
- জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির ভূমিকা, শস্য পরিকল্পনা, শস্য পঞ্জিকা ও শস্য আবর্তন ও ফসল বিন্যাস, ফসলের ক্রপিং প্যাটার্ন ইত্যাদি।
- পরিবেশ বিজ্ঞান, ইকোসিস্টেম সার্ভিসেস, বিভিন্ন দূষণ, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ইকোলজিক্যাল পিরামিড, জলবায়ু পরিবর্তিন ইত্যাদি।
৭. ফসল সংগ্রহ ও বীজ প্রযুক্তি এবং আগাছা দমন:
- বীজ শোধন, বীজ বপন ও চারা উৎপাদন, রোপণ পদ্ধতি, বীজ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরীক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ, ফসল সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ ও বিপণন, কৃষিতে জৈবপ্রযুক্তি, GMO, টিস্যু কালচার ইত্যাদি।
- কীটপতঙ্গ ও রোগের ধারণা, কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ, কীটনাশকের ধরন ইত্যাদি।
৮. কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ও সেচ এবং জীববিজ্ঞান:
- কৃষির যান্ত্রিকীকরণের ভবিষ্যৎ ও সম্ভবনা বা অগ্রগতি এবং সরকারের পদক্ষেপ, পানি সেচ ও নিস্কাশনের গুরুত্ব, পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা, প্রকারভেদ, সুবিধা, তাৎপর্য, কার্যকারিতা, SRI পদ্ধতি ও AWD পদ্ধতি ইত্যাদি।
- দ্বি-বীজপত্রী ও এক-বীজপত্রী উদ্ভিদ, প্রস্বেদন, চক্রীয় ও অচক্রীয় ফটোফোরাইলেশন, জীববৈচিত্র্য, নিউরন, নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোজোম, রাইবোসম, সেন্ট্রোজোম, লাইসোজোমের গঠন ও কাজ ইত্যাদি।
৯. খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগ ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া:
- বিভিন্ন প্রকার খাদ্য, ফলমূলের সংরক্ষণ পদ্ধতি, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ পদ্ধতি ইত্যাদি।
- উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগ ও রোগের প্রকারভেদ, সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন, ট্রান্সপিরেশন, ফটোপিরিওডিজম, শ্রেণীবিন্যাস, C3 ও C4 উদ্ভিদ, উদ্ভিদ কোষ, টিস্যু, বিভাজন ইত্যাদি।
১০. কৃষি সম্প্রসারণ ও কৃষি বনায়ন এবং কৃষি প্রতিষ্ঠান:
- নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতির প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য ও উপাদান, বাংলাদেশে কৃষির উন্নয়ন কর্মসূচি সমূহ, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, কৃষি ঋণ ও সমবায়।
- বাংলাদেশের বন ও বনজ সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, সামাজিক বনায়ন, বন্যপ্রাণি ও অভয়ারন্য, বৃক্ষ ও কৃষি মেলা, কৃষি বনায়নের প্রকারভেদ, বৈশিষ্ট্য, উপকারিতা ইত্যাদি।
- কৃষি তথ্য ও সেবা প্রাপ্তির উৎস ও প্রতিষ্ঠান, কৃষি তথ্য বিস্তারে কৃষি তথ্য সার্ভিসের ভূমিকা।
অধ্যয়নের উৎস:
- কৃষি শিক্ষা শিক্ষণ -২, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কৃষি শিক্ষা ১ম ও ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- নবম-দশম-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।
- ৭ম এবং ৮ম শ্রেণির NCTB প্রাসঙ্গিক বোর্ড বই।
- কৃষি ডায়েরি-২০২৩/২৪।
- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য করনীয়:
- প্রথমে লিখিত পরীক্ষায় আসতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো চিহ্নিত করুন।
- বিগত সালে অনুষ্ঠিত হওয়া উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও নমুনা উত্তরগুলো দেখুন।
- বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে লাগতে পারে এমন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করুন এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নের পাশে লিখে রাখুন।
- প্রশ্ন সহজ হবে কিংবা কঠিন এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। প্রশ্নটি আপনার জন্য যেমন, বাকিদের ক্ষেত্রেও তেমনি হবে।
- লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তরে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত দেওয়ার চেষ্টা করুন।
- প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন টপিকগুলোর উপর ৫-৭ পৃষ্ঠা লেখার অভ্যাস করুন।
- প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত না লিখে প্রাসঙ্গিক দেওয়ার জন্য যতটুকু লিখা প্রয়োজন ততটুকুই লিখুন।
- হাতের লেখা সুন্দর না হলেও যেন পড়ে বুঝার মতো স্পষ্ট হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
- বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে কোন তথ্যবহুল উত্তরের শেষে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট এবং আপনার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ দেবার চেষ্টা করুন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের লিখিত পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল পদের প্রার্থীদের অবশ্যই প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়ের লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম ৩০% নম্বর পেতে হবে। কোনো প্রার্থী টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়ে ৩০% এর কম নম্বর পেলে উক্ত প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে অকৃতকার্য বলে গণ্য হবেন।
- লিখিত পরীক্ষায় টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয় ব্যতিত অন্য কোনো বিষয়ে ২৫% এর কম নম্বর পেলে প্রার্থী উক্ত বিষয়ে কোনো নম্বর পাননি মর্মে গণ্য হবেন। উপরিউক্ত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সামগ্রিকভাবে সকল বিষয়ে গড়ে ৪৫% নম্বর পেলে প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মর্মে বিবেচিত হবেন।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি:
যেকোন চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার জন্য মৌখিক পরীক্ষাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। চাকরির প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় যাচাই করা হয়ে আপনে জানেন কিনা, লিখিত পরীক্ষায় যাচাই করা হয় আপনি যা জানেন তা বুঝেন কিনা, এবং মৌখিক পরীক্ষায় যাচাই করা হয় আপনি যা বুঝেন তা কতটা বুঝাতে পারেন।
যেহেতু উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়ে সরাসরি কাজ করবেন তাই এখানে মৌখিক পরীক্ষাটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস নিম্নে দেওয়া হল:
- আপনার নিজের সম্পর্কে, নিজ জেলা, বিশ্ববিদ্যালয়, পঠিত বিষয় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা রাখতে হবে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং সংবিধান নিয়ে বিশেষ ধারনা থাকতে হবে।
- সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে চলা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারনা রাখতে হবে।
- আপনাকে অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সাথে সাথে বিনয়ী হতে হবে। মনে রাখবেন ওভার কনফিডেন্ট ভাইভার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
- ভাইভা পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে সবসময় মুখে স্মিত হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করবেন।
- মৌখিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভাষার আঞ্চলিকতা পরিহার করার চেষ্টা করুন।
- যেকোন প্রশ্ন মন দিয়ে পুরোটা শুনে একটু ভেবে তারপর উত্তর করার চেষ্টা করুন। প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের মাঝেই কথা বলবেন না।
- ভাইভা বোর্ডে থাকা একজনের প্রশ্নের উত্তর করার করার মাঝেই আরেকজন প্রশ্ন করলে প্রথম প্রশ্নকর্তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয় প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের উত্তর দিবেন।
- সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এমন মনোভাব ত্যাগ করুন। ভুল বা অনুমান নির্ভর উত্তর দেওয়া পরিহার করুন।
- ইংরেজিতে প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দিবেন। বাংলায় প্রশ্ন করে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়ার কথা বললে সেটিই করবেন, বাংলায় উত্তর দেওয়ার অনুমতি চাইবেন না।
- আপনার একাডেমিক রেজাল্ট যদি কোন কারনে সন্তুষজনক না হয় তাহলে এর সাপেক্ষে একটি গ্রহণযোগ্য কারন তৈরি করে রাখুন।
- বেশি করে মক ভাইভা ও মডেল ভাইভা দিন।
ঘরে বসে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি:
Live MCQ থাকতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে আর কোন ব্যায়বহুল কোচিং এর দ্বারস্থ হতে হবে না। ঘরে বসেই Live MCQ অ্যাাপের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিতে পারবেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ পরীক্ষার প্রিলিমিনারি প্রস্তুতির রুটিনে থাকছে –
- ১৯টি বিষিয়ভিত্তিক (জেনারেল পার্টের পরীক্ষা),
- ৮টি টেকনিক্যাল কৃষি বিষয়ের পরীক্ষা,
- ৫টি রিভিশন পরীক্ষা
- ৮টি ফুল মডেল টেস্ট






উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ সংক্রান্ত সচরাচর জিজ্ঞাসা করা কিছু প্রশ্নের উত্তর:
প্রশ্ন: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বেতন কত?
উত্তর: একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সরকারি বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ১৬,০০০ থেকে ৩৮,৬৪০ টাকা বেতন পেয়ে থাকেন। এর সাথে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, সন্তানদের শিক্ষা সহায়ক ভাতা, নববর্ষ ও উৎসব ভাতা, পেনশনসহ সরকারি চাকরির সব সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।
প্রশ্ন: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কত গ্রেড?
উত্তর: উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদ টি সরকারি বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত।
মন্তব্য
মন্তব্য লোড হচ্ছে…
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এক ক্লিকে Google বা Facebook দিয়ে সাইন ইন করুন; মন্তব্য, পার্সোনাল রিপোর্ট ও সব ফিচার আনলক হবে।